জামায়াতের উত্থান দেশকে ধর্মযুদ্ধের দিকে নিয়ে যেতে পারে: নুরুল হক নূর
Naresh
নিউজ প্রকাশের তারিখ : Sep 27, 2026 ইং
জামায়াতে ইসলামীর উত্থান বাংলাদেশকে ধর্মযুদ্ধের দিকে নিয়ে যেতে পারে বলে মন্তব্য করেছেন প্রবাসী কল্যাণ ও বৈদেশিক কর্মসংস্থান মন্ত্রণালয়ের প্রতিমন্ত্রী নুরুল হক নূর।
রোববার (২৭ সেপ্টেম্বর) বিকেলে পটুয়াখালী শিল্পকলা একাডেমিতে এসএসসি, দাখিল ও সমমানের পরীক্ষায় জিপিএ-৫ প্রাপ্ত কৃতী শিক্ষার্থীদের সংবর্ধনা অনুষ্ঠান শেষে সন্ধ্যা ৭টার দিকে সাংবাদিকদের সঙ্গে মতবিনিময়কালে তিনি এ মন্তব্য করেন।
নুরুল হক নূর বলেন, দুর্বৃত্তরা, পতিত ফ্যাসিস্টরা এবং তাদের সঙ্গে সুর মিলিয়ে যারা কথা বলছে, তারা ডিসেম্বরে সরকার পতনের কথা বলছে। একদিকে ফ্যাসিস্টরা বলছে, অন্যদিকে বিরোধী রাজনৈতিক শক্তির একটি অংশও একই ধরনের কথা বলছে। এসবের মধ্যে কোনো যোগসূত্র আছে কি না, তা খুঁজে দেখা প্রয়োজন।
তিনি বলেন, অতীতে জামায়াতে ইসলামী বিএনপি সরকারের বিরুদ্ধে আন্দোলনে আওয়ামী লীগের সঙ্গে রাজপথে ছিল। বর্তমানে দলটির ক্ষমতায় যাওয়ার আকাঙ্ক্ষা তৈরি হয়েছে। এ পরিস্থিতিতে সচেতন তরুণ ও প্রগতিশীল জনগোষ্ঠীকে বিষয়টি বিবেচনায় রাখতে হবে।
নুরুল হক নূর বলেন, জামায়াতের উত্থান মানে দেশকে একটি ধর্মযুদ্ধের দিকে নিয়ে যাওয়া এবং বাংলাদেশের অস্তিত্বকে সংকটের মুখে ফেলা। তাই জামায়াত-শিবিরের যেকোনো ধরনের ‘আস্ফালনের’ বিরুদ্ধে জনগণকে স্বতঃস্ফূর্তভাবে প্রতিক্রিয়া দেখানোর দরকার। আমরা সরকারের পক্ষ থেকে সে আহ্বান জানাই।
মিরপুরের ক্লিনিক দুর্ঘটনার প্রসঙ্গে প্রতিমন্ত্রী বলেন, ঘটনার সঙ্গে জড়িতদের বিরুদ্ধে যথাযথ ব্যবস্থা নেওয়া প্রয়োজন।
এ সময় কনটেন্ট ক্রিয়েটর সালমান মুক্তাদির প্রসঙ্গেও কথা বলেন নুরুল হক নূর। তিনি বলেন, সালমান মুক্তাদির দেশের তরুণদের মধ্যে জনপ্রিয় একজন কনটেন্ট ক্রিয়েটর। তার প্রতি মানুষের যে সংহতি ও সমবেদনা দেখা গেছে, তা ইতোমধ্যে সবার নজরে এসেছে।
সরকারবিরোধী রাজনৈতিক দলগুলোর আন্দোলন ও লংমার্চ প্রসঙ্গে নুরুল হক নূর বলেন, একটি গণতান্ত্রিক সরকার দায়িত্ব নেওয়ার পর এখনো সাড়ে ছয় মাসের মতো সময় পার করেছে। এই সরকারের বিরুদ্ধে এ ধরনের কর্মসূচি দেওয়া হলে এর সুযোগ নিয়ে পতিত ফ্যাসিস্টরা আবার রাজনীতিতে ফিরে আসার সুযোগ পেতে পারে।
তিনি আরও বলেন, রাজনৈতিক কর্মসূচি ও আন্দোলনের ক্ষেত্রে দেশের গণতান্ত্রিক পরিবেশ এবং জনগণের স্বার্থকে বিবেচনায় রাখা প্রয়োজন।
সংবর্ধনা অনুষ্ঠানে বিভিন্ন প্রতিষ্ঠানের শিক্ষার্থীবৃন্দ, গণঅধিকার পরিষদ ও তার অঙ্গ-সহযোগী সংগঠনের বিভিন্ন পর্যায়ের নেতাকর্মীরা উপস্থিত ছিলেন।
আপনার মতামত লিখুন :