• ঢাকা
  • | |
Alifhostbd

জ্বালানি খাতে বেসরকারি বিনিয়োগে সরকারের ওপর চাপ কমবে


FavIcon
ওপেন নিউজ ৭১
নিউজ প্রকাশের তারিখ : Aug 13, 2026 ইং
ছবির ক্যাপশন: Alifhostbd

‎দেশের শিল্প, পরিবহন থেকে শুরু করে বিদ্যুৎ উৎপাদন; অর্থনীতির প্রায় প্রতিটি খাতই নির্ভরশীল জ্বালানির ওপর। অথচ সরবরাহ ঘাটতি, আমদানিনির্ভরতা এবং অবকাঠামোগত সীমাবদ্ধতায় বারবার তৈরি হচ্ছে সংকট। যার সরাসরি প্রভাব পড়ছে শিল্প উৎপাদন ও ব্যবসায়িক কার্যক্রমে।

‎এই বাস্তবতায় শুধু সরকারি বিনিয়োগের ওপর নির্ভর না করে জ্বালানি খাতে বেসরকারি অংশগ্রহণ বাড়াতে চায় সরকার। এলএনজি আমদানি, টার্মিনাল নির্মাণ, গ্যাস অবকাঠামো, সংরক্ষণ ও সরবরাহ ব্যবস্থায় বেসরকারি বিনিয়োগ বাড়ানো হলে সরকারের বিনিয়োগের চাপ কমবে বলে মত সংশ্লিষ্টদের।

‎এই বাস্তবতায় দেশের ‎জ্বালানি সংকট নিরসনে সরকারি উদ্যোগের পাশাপাশি বেসরকারি খাতকে বড় পরিসরে যুক্ত করতে চায় সরকার। বিশেষ করে আমদানি, অবকাঠামো ও সরবরাহ ব্যবস্থাপনায় বাড়াতে চায় বেসরকারি বিনিয়োগ।

সরকারের দাবি, শক্তিশালী নীতিমালার মাধ্যমে নিশ্চিত করা হবে জ্বালানি নিরাপত্তা ও বাজারে প্রতিযোগিতা। তবে বিশেষজ্ঞদের প্রশ্ন, কৌশলগত এই খাতে বেসরকারি অংশগ্রহণ কতটা নিরাপদ? আর এর সুফলই বা কতটা পৌঁছাবে ভোক্তার কাছে?

‎ব্যবসায়িক দৃষ্টিকোণ থেকেও রয়েছে বড় সম্ভাবনা। নিরবচ্ছিন্ন জ্বালানি সরবরাহ নিশ্চিত হলে বাড়বে শিল্পের উৎপাদন সক্ষমতা, কমবে ব্যবসার অনিশ্চয়তা। একই সঙ্গে জ্বালানি অবকাঠামোয় নতুন বিনিয়োগের পাশাপাশি তৈরি হতে পারে কর্মসংস্থানের সুযোগ।

‎তবে প্রশ্নের জায়গা জ্বালানি সাধারণ কোনো পণ্য নয়; এটি জাতীয় নিরাপত্তা ও অর্থনীতির কৌশলগত খাত।

জ্বালানি বিশেষজ্ঞ অধ্যাপক ড. ইজাজ হোসেন বলছেন, বেসরকারি বিনিয়োগে মুনাফার লক্ষ্য আর জনস্বার্থের মধ্যে ভারসাম্য নিশ্চিত করাই বড় চ্যালেঞ্জ।

‎‎তিনি বলেন, বেসরকারি বিনিয়োগের সুযোগ তৈরি করা প্রয়োজন। তবে নীতিমালা ও নিয়ন্ত্রণ ব্যবস্থা দুর্বল হলে প্রতিযোগিতার বদলে তৈরি হতে পারে একচেটিয়া বাজার। যার প্রভাব শেষ পর্যন্ত পড়তে পারে জ্বালানির দাম ও ভোক্তার ওপর।

‎সংশ্লিষ্টরা বলছেন, বিনিয়োগের সুযোগ তৈরি করলেই হবে না; দরকার স্বচ্ছ দরপত্র, প্রতিযোগিতামূলক বাজার, মূল্য নির্ধারণে স্বচ্ছতা এবং শক্তিশালী নিয়ন্ত্রক কাঠামো।

আলোচিত শীর্ষ ১০ সংবাদ