• ঢাকা
  • | |
Alifhostbd

সরকারের সঙ্গে আলোচনায় রাজি নয় ককরোচ জনতা পার্টি , শুক্রবার ভারতজুড়ে বিক্ষোভ


FavIcon
Naresh
নিউজ প্রকাশের তারিখ : Jul 23, 2026 ইং
ছবির ক্যাপশন: Alifhostbd


ককরোচ জনতা পার্টির (সিজেপি) সাথে আলোচনায় বসতে কেন্দ্রীয় সরকার প্রস্তুত বলে বৃহস্পতিবার (২৩ জুলাই) জানিয়েছেন ভারতের বিজ্ঞান ও প্রযুক্তি মন্ত্রী জিতেন্দ্র সিং। তবে সরকারের এই প্রস্তাব সরাসরি নাকচ করে দিয়েছেন বিক্ষোভকারী তরুণরা। তাদের দাবি, যেকোনো আলোচনা হতে হবে যন্তর মন্তর কিংবা অন্য কোনো নিরপেক্ষ স্থানে।



রাজধানীর যন্তর মন্তর এখন সবার নজরে। মেডিকেল পরীক্ষায় বারবার প্রশ্নফাঁসের ঘটনায় ক্ষুব্ধ শিক্ষার্থীরা দিন দিন আরও সংঘবদ্ধ হয়ে উঠছেন। কয়েক বছর ধরে চলে আসা এই সমস্যায় অনেকের স্বপ্ন ভেঙে গেছে, কেউ কেউ আত্মহত্যার পথও বেছে নিয়েছেন। শিক্ষার্থীরা এখন কেন্দ্রীয় শিক্ষামন্ত্রী ধর্মেন্দ্র প্রধানের পদত্যাগ দাবি করছেন।

বুধবার রাতে পুলিশের লাঠিচার্জ ও টিয়ার গ্যাসে বেশ কয়েকজন আহত হওয়ার পর বিক্ষোভ আরও তীব্র হয়েছে। সিজেপির নেতৃত্বে তরুণরা স্পষ্ট জানিয়ে দিয়েছেন, সরকারের আমন্ত্রণে কোনো বৈঠকে যাবেন না।

প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদি বৃহস্পতিবার সোশ্যাল মিডিয়ায় একটি পোস্টে বলেছেন, প্রশ্নফাঁসে জড়িতদের বিরুদ্ধে দ্রুত বিচারের জন্য বিশেষ আদালত গঠন করা হবে। তিনি বলেন, তরুণদের ভবিষ্যৎ আমাদের কাছে সবচেয়ে গুরুত্বপূর্ণ। যারা এই ভবিষ্যৎ নষ্ট করতে চায়, তাদের কোনো ছাড় দেওয়া হবে না।


তবে সিজেপি এ ঘোষণাকে যথেষ্ট মনে করছে না। তারা বলছে, শাস্তির ব্যবস্থা তো পরের কথা, প্রশ্নফাঁস যাতে আর না হয় সেই মৌলিক সমস্যার সমাধান সরকারকে করতে হবে।

অনশন করা অধিকারকর্মী সোনম ওয়াংচুক বলেন, সরকার যদি শিক্ষার্থীদের বিরুদ্ধে কোনো প্রতিহিংসামূলক ব্যবস্থা না নেওয়ার আশ্বাস দেয়, তাহলে তিনি অনশন ভাঙবেন।

এদিকে দিল্লি পুলিশ ইতিমধ্যে ১০টি এজাহার দায়ের করেছে। বুধবার রাতের সংঘর্ষের পর নতুন করে নিষেধাজ্ঞা জারি করা হয়েছে। তবু হাজার হাজার শিক্ষার্থী রাস্তায় নেমে বিক্ষোভ চালিয়ে যাচ্ছেন। মধ্য দিল্লির ১৬টি মেট্রো স্টেশনে ট্রেন চলাচল বন্ধ রাখা হয়েছে।

একটি ভাইরাল ভিডিওতে দেখা গেছে, এক পুলিশ সদস্য শিক্ষার্থীদের হুমকি দিয়ে বলছেন, আবার বিক্ষোভ করলে মিথ্যা মাদক মামলায় ফাঁসিয়ে জীবন শেষ করে দেবেন। মুম্বাই পুলিশ এ ঘটনার তদন্ত শুরু করেছে এবং অভিযুক্ত পুলিশ সদস্য পবন সাঙ্গলেকে দায়িত্ব থেকে সরিয়ে দেওয়া হয়েছে।

অন্যদিকে আইআইটি মাদ্রাজ কর্তৃপক্ষ নিজেদের শিক্ষার্থীদের নির্দেশ দিয়েছে যন্তর মন্তর বিক্ষোভের সমর্থনে করা সব ইনস্টাগ্রাম পোস্ট ও ভিডিও মুছে ফেলতে। শিক্ষার্থীরা বলছেন, ডিনের নির্দেশে এই পদক্ষেপ নেওয়া হয়েছে।

আলোচিত শীর্ষ ১০ সংবাদ