• ঢাকা
  • | |
Alifhostbd

সুস্থ থাকতে কত ঘণ্টা ঘুমাবেন?


FavIcon
ওপেন নিউজ ৭১
নিউজ প্রকাশের তারিখ : Jul 1, 2026 ইং
ছবির ক্যাপশন: Alifhostbd

প্রতিদিন আট ঘণ্টা ঘুমাতেই হবে-এই কথাটি আমরা প্রায়ই শুনে থাকি। কিন্তু সত্যিই কি সবার জন্য আট ঘণ্টা ঘুমই আদর্শ? কেউ যদি পাঁচ-ছয় ঘণ্টা ঘুমান, আবার কেউ যদি ৯-১০ ঘণ্টা ঘুমিয়ে ফেলেন, তাহলে কোনটি বেশি ক্ষতিকর? সাম্প্রতিক গবেষণা বলছে, শুধু কম ঘুম নয়, অতিরিক্ত ঘুমও স্বাস্থ্যের জন্য সমান উদ্বেগের কারণ হতে পারে।

কম ঘুম
এক-দুদিন ঠিকমতো ঘুম না হলে পরদিনই তার প্রভাব বোঝা যায়। মনোযোগ কমে যায়, সিদ্ধান্ত নেওয়ার ক্ষমতা দুর্বল হয়, বিরক্তি বাড়ে এবং মানসিক চাপ বেড়ে যায়। তবে দীর্ঘদিন পর্যাপ্ত ঘুমের অভাব আরও গুরুতর সমস্যা তৈরি করতে পারে। গবেষণায় দেখা গেছে, দীর্ঘমেয়াদি ঘুমের ঘাটতির সঙ্গে স্মৃতিশক্তি হ্রাস, মানসিক রোগের ঝুঁকি, রোগ প্রতিরোধক্ষমতা কমে যাওয়া এবং অকাল মৃত্যুর সম্পর্ক রয়েছে।

বেশি ঘুম
অনেকেই মনে করেন, যত বেশি ঘুম তত বেশি বিশ্রাম। কিন্তু বিজ্ঞানীরা বলছেন, বিষয়টি এতটা সহজ নয়। গবেষণায় দেখা গেছে, ঘুমের সময় ও স্বাস্থ্যের মধ্যে একটি সম্পর্ক রয়েছে। অর্থাৎ, খুব কম ঘুম যেমন ক্ষতিকর, তেমনি প্রয়োজনের তুলনায় অনেক বেশি ঘুমও নানা স্বাস্থ্যঝুঁকির কারণ হতে পারে। বিশেষজ্ঞদের মতে, অতিরিক্ত ঘুম শরীরের কোনো অন্তর্নিহিত সমস্যার ইঙ্গিতও হতে পারে। যদিও বেশি ঘুমই সরাসরি রোগের কারণ এমন প্রমাণ নেই, তবে এটি বিভিন্ন শারীরিক বা মানসিক সমস্যার সঙ্গে সম্পর্কিত হতে পারে।

কত ঘণ্টা ঘুমানো উচিত?
সব মানুষের ঘুমের চাহিদা এক নয়। বয়স, জীবনযাপন, শারীরিক অবস্থা ও কাজের ধরন অনুযায়ী ঘুমের প্রয়োজন বদলে যায়। তবে অধিকাংশ প্রাপ্তবয়স্ক মানুষের জন্য প্রতিদিন ৭ থেকে ৯ ঘণ্টা ঘুমকে স্বাস্থ্যকর ধরা হয়। যদি নিয়মিত এর চেয়ে অনেক কম বা অনেক বেশি ঘুমের প্রয়োজন হয়, অথবা পর্যাপ্ত ঘুমিয়েও সারাদিন ক্লান্ত লাগে, তাহলে চিকিৎসকের পরামর্শ নেওয়া উচিত।

ভালো ঘুমের জন্য যা করবেন
প্রতিদিন নির্দিষ্ট সময়ে ঘুমাতে যান এবং জাগুন।
ঘুমানোর অন্তত এক ঘণ্টা আগে মোবাইল, টিভি বা ল্যাপটপ ব্যবহার কমিয়ে দিন।
বিকেল বা সন্ধ্যার পর অতিরিক্ত চা-কফি এড়িয়ে চলুন।
নিয়মিত শরীরচর্চা করুন, তবে ঘুমানোর ঠিক আগে নয়।
শোবার ঘর শান্ত, অন্ধকার ও আরামদায়ক রাখুন।
শুধু ঘুমের সময় নয়, ঘুমের মানও গুরুত্বপূর্ণ
বিশেষজ্ঞরা বলছেন, সুস্থ থাকার জন্য শুধু কত ঘণ্টা ঘুমালেন, সেটিই একমাত্র বিষয় নয়। ঘুম গভীর ও নিরবচ্ছিন্ন হওয়াও সমান গুরুত্বপূর্ণ। তাই খুব কম বা খুব বেশি দুই ধরনের ঘুমের অভ্যাসই অবহেলা না করে প্রয়োজনে চিকিৎসকের পরামর্শ নেয়া উচিত। সূত্র: হিন্দুস্তান টাইমস  

আলোচিত শীর্ষ ১০ সংবাদ