প্রিন্ট এর তারিখঃ Aug 17, 2026 ইং || প্রকাশের তারিখঃ Aug 17, 2026 ইং
সৌদি-তুর্কি-পাকিস্তানের প্রতিরক্ষা চুক্তিকে স্বাগত জানালেন ট্রাম্প

তুরস্ক, পাকিস্তান ও সৌদি আরবের মধ্যে স্বাক্ষরিত ‘মক্কা যৌথ প্রতিরক্ষা চুক্তিকে’ স্বাগত জানিয়েছেন মার্কিন প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্প। সামাজিক যোগাযোগমাধ্যম ট্রুথ সোশ্যালে দেয়া এক বার্তায় তিনি বলেন, ‘সৌদি আরব, তুরস্ক ও পাকিস্তান শেষ পর্যন্ত মক্কা যৌথ প্রতিরক্ষা চুক্তি স্বাক্ষর করায় আমি অত্যন্ত আনন্দিত।’
ট্রাম্প আরও উল্লেখ করেন, এই চুক্তির মাধ্যমে ‘মধ্যপ্রাচ্য কীভাবে একত্রিত হচ্ছে এবং দেশগুলো শেষ পর্যন্ত কীভাবে নিজেদের আরও ভালোভাবে রক্ষা করতে সক্ষম হবে’ তা ফুটে উঠেছে।
বার্তার শেষভাগে তিনি যোগ করেন, ‘এটি একটি বড়, সাহসী ও গুরুত্বপূর্ণ প্রথম পদক্ষেপ। অবিশ্বাস্য।’
আঞ্চলিক ও আন্তর্জাতিক পর্যায়ে শান্তি ও স্থিতিশীলতা নিশ্চিতকরণ, যৌথ নিরাপত্তা জোরদার এবং প্রতিরক্ষা সহযোগিতা বৃদ্ধির লক্ষ্যে চলতি মাসের শুরুর দিকে ত্রিপক্ষীয় প্রতিরক্ষা চুক্তিতে স্বাক্ষর করে তুরস্ক, সৌদি আরব ও পাকিস্তান।
পরিবর্তনশীল আঞ্চলিক পরিস্থিতির আলোকে এ চুক্তিকে ‘কৌশলগত সংকল্পের’ প্রতীক হিসেবে আখ্যায়িত করেছেন তুর্কি প্রেসিডেন্ট রেসেপ তাইয়েপ এরদোয়ান। তিনি জোর দিয়ে বলেন, এই ত্রিপক্ষীয় চুক্তি সাম্প্রতিক কোনও ঘটনা বা কোনও দেশকে কেন্দ্র করে করা হয়নি।
এরদোয়ান আরও বলেন, ‘তুরস্ক সর্বদা উত্তেজনার চেয়ে কূটনীতি, সংঘাতের চেয়ে সংলাপ এবং বিভাজনের চেয়ে শক্তিশালী আঞ্চলিক সহযোগিতাকে প্রাধান্য দিয়ে এসেছে। প্রতিটি পক্ষের সঙ্গে আলোচনা এবং প্রয়োজনে কঠিন পরিস্থিতিতে দায়িত্ব গ্রহণে সক্ষম একটি দেশ হিসেবে, আমাদের অঞ্চলে স্থায়ী শান্তি ও স্থিতিশীলতা রক্ষায় আমরা নিজেদের ভূমিকা পালন করে যাব।’
‘মক্কা যৌথ প্রতিরক্ষা চুক্তির’ শর্তানুযায়ী, তিন দেশের যেকোনও একটির ওপর সশস্ত্র আক্রমণকে সবার ওপর হামলা হিসেবে বিবেচনা করা হবে। পাশাপাশি এতে প্রতিরক্ষা সংক্রান্ত প্রতিটি ক্ষেত্রে পারস্পরিক সহযোগিতা আরও গভীর করার অঙ্গীকার করা হয়েছে ।
যৌথ কৌশলগত স্বার্থের ওপর ভিত্তি করে প্রণীত এই চুক্তির মূল লক্ষ্য হলো–যৌথ প্রতিরোধ ক্ষমতা বৃদ্ধি করা, আঞ্চলিক স্থিতিশীলতা জোরদার করা এবং কোনও তৃতীয় পক্ষকে লক্ষ্যবস্তু না করে একটি নিরাপদ ভবিষ্যৎ গড়ে তোলা। সূত্র: টিআরটি ওয়ার্ল্ড
© সকল কিছুর স্বত্বাধিকারঃ ওপেন নিউজ ৭১